Home / News / তারকেশ্বরের বাবা ভোলানাথের মন্দিরের অলৌকিক রহস্য, যা জানেনা অনেকেই, রইলো ভিডিও সহ!

তারকেশ্বরের বাবা ভোলানাথের মন্দিরের অলৌকিক রহস্য, যা জানেনা অনেকেই, রইলো ভিডিও সহ!

বহু প্রাচীন আমাদের এই বাংলা । এই বাংলা জুড়ে রয়েছে বিভিন্ন দেবদেবীর স্থাপত্য এবং নিদর্শন ।। বিভিন্ন ভাষাভাষীর দেশ এই ভারত বর্ষ । ঠিক তেমনি ভারতবর্ষের আংশিক বা সংক্ষিপ্ত রূপ আমরা দেখতে পাব এই পশ্চিমবঙ্গে । পশ্চিমবঙ্গে শুধুমাত্র মরুভূমি ছাড়া এমন কোন জিনিস নেই যা ভারতবর্ষের রয়েছে । মন্দির গির্জা থেকে শুরু করে সমুদ্র সৈকত পাহাড়-জঙ্গল সবকিছু ঘিরে রেখেছে পশ্চিমবঙ্গ কে । তাইতো এই বাংলা অন্যান্য রাজ্যের তুলনায়ও এখনো জনপ্রিয়তার নিরিখে তু-ঙ্গে।

শুধুমাত্র পর্য-টন শিল্প বা অন্যান্য কোন শিল্প নয় তার পাশাপাশি কিন্তু দেব-দেবীর পূজা আর্চনা তেও এগিয়ে রয়েছে আমাদের এই বাংলা । কারণ এখানে বিভিন্ন ভাষা-ভাষীর মানুষ বসবাস করেন । এখানে যেমন ঘরে দূর্গ পূজো পালন করা হয় ঠিক তেমনি পালন করা হয় ঈদ । নেই কোনো বা-ধা ।। একে অপরের উৎসবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আনন্দ করা হয় এবং এই বৈচিত্রের চিত্র গোটা ভারতবর্ষের মধ্যে আলাদা করে তুলেছে আমাদের এই পশ্চিমবঙ্গ কে।

বিভিন্ন মন্দিরের মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয় মন্দির হলেন তারকেশ্বর এই মন্দির । এখানে একটি অদ্ভুত মন্দির রয়েছে যেটি সম্পর্কে হয়তো খুব কম জন মানুষ জানেন । পুরাণকথা অনুযায়ী অযোধ্যা থেকে এসে বিষ্ণু দত্ত বলে এক ব্যক্তি বসবাস করতেন হুগলিতে । এবং তার ভাই একদিন জঙ্গলে গিয়ে এমনটা লক্ষ্য করেন যে সেখানে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট জায়গাতে কয়েকটি গরুর দুধ বিত-রণ করে সেই জায়গা । কেন সেখানে করে তা নিয়ে চলতে থাকে জ-ল্পনা।

অবশেষে উ-দ্ধার হয় একটি শিব-লি-ঙ্গ । এবং সেই শিবলিঙ্গ কে ঘিরে গড়ে ওঠে এই তারকেশ্বরের এই মন্দিরটি । প্রচুর মানুষের এবং ভক্ত দের সমাগম ঘটে প্রতিবছর শ্রাবণ মাসে এবং শিবরাত্রিতে । ইতিমধ্যে অনেকেই সেই জায়গা প্রদর্শন করে এসেছেন । এবং মন থেকে নিয়ে এসেছেন একরাশ তৃপ্তি এবং শান্তি । আপনি যদি সেই মন্দির সম্পর্কে এখনো অব-গত না হয়ে থাকেন তাহলে আপনি আপনার সুবিধা মতন একবার ঘুরে আসতে পারেন সে মন্দিরে ।

 

Check Also

দীর্ঘ ২৯ বছর পর হারিয়ে যাওয়া ছেলেকে ফিরে পেলেন বাবা-মা

ঢাকায় চাচার বাসায় বেড়াতে গিয়ে মাত্র ৬ বছর বয়সে হারিয়ে গিয়েছিলেন মাসুদ। দীর্ঘ ২৯ বছর ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *