Home / News / আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম। প্রতি ভরি স্বর্ণে ৩ হাজার ৭৯০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জা’নানো হয়। নতুন দাম অনুযায়ী দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের সর্বো’চ্চ দাম হবে ৬৪ হাজার ১৩০ টাকা।

বিজ্ঞপ্তিতে জা’নানো হয়, এখন থেকে ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৫০০ টাকা। ২১ ক্যারেটের দাম হবে গ্রাম প্রতি পাঁচ হাজার তিনশো টাকা। একই ভাবে ১৮ ক্যারেটের দাম চার হাজার ৮৭০ এবং সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি স্বর্ণের দাম হবে তিন হাজার ৭৭৫ টাকা।
সাব’ধান- বিশ্বজুড়ে দেখা দিয়েছে করো’নার নতুন লক্ষন

বিশ্বজুড়ে হু হু করে বেড়ে চলেছে করো’না ভা’ইরাসের প্র’কোপ। দিসেম্বরে শুরু হওয়া এই ম’হামা’রির এখন পর্যন্ত অসংখ্য উ’পসর্গ দেখা দিয়েছে। স’ম্প্রতি দেখা গিয়েছে প্রা’ণঘাতী এই ভা’ইরাসের নয়া উ’পসর্গ। মা’র্কিন সংস্থা সেন্টারস ফর ডিজিজ ক’ন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এই উ’পসর্গ উদ্ভাবন ক’রেছেন। লক্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- মাথাব্য’থা, যখন-তখন শীতের অনুভূতি, প্রবল শীত বোধ থেকে দে’হে কাঁপুনি ধ’রা এবং দে’হের বিভিন্ন মাংসপেশিতে ব্য’থা।

মা’র্কিন মুলুকে তো বটেই ইংল্যান্ড, ইতালি, ফ্রান্সসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই লক্ষণগুলো নানা বয়সের করো’না আক্রা’ন্তদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে বলে নিজেদের রিপোর্টে উল্লেখ করেছে সিডিসি। এদিকে, এই একই ধ’রণের লক্ষণ দেখা গেছে দিল্লির স’রকারি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল এইমসের বেশ কয়েকজন রো’গীর মধ্যেও, যারা করো’না র ‘আদর্শ’ লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে আসেননি। পরে তাদের দে’হে সংক্র’মণ মিলেছে।

ওই হাসপাতালের সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকি’ৎসক নাজনিন নাহার বেগম নিজে’র অভিজ্ঞতা তুলে ধ’রে জা’নান, ‘এখানে এমন অনেক রো’গী দেখা গেছে, যাদের মধ্যে করো’না র কপি বুক লক্ষণ ছিল না। তাদের মধ্যে অনেকেই জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বা’সক’ষ্টের স’মস্যায় ভুগছিলেন না। তার বদলে তারা মাথা ব্য’থা, শীত বোধ করা এবং সারা গায়ের বিভিন্ন জায়গায় ব্যাথার কথা বলেন। এই ধ’রনের রো’গের উ’পসর্গ নিয়ে সাধারণত কোনো ব্য’ক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় না।

এখানেও করা হয়নি। কিন্তু অনেকের দে’হে এমন উ’পসর্গ দেখা যাচ্ছে, এটা লক্ষ্য করার পরেই প্রত্যেকের করো’না পরীক্ষা করার সিদ্ধা’ন্ত নেওয়া হয়। তখন দেখা যায় তারা করো’না পজিটিভ।’ পুরো বি’ষয়টি যে যথেষ্ট চিন্তার, তা স্পষ্টই জা’নিয়েছেন বাঙালি চিকি’ৎসক নাজনিন। তিনি আরও জা’নান, ‘এই রো’গটা স’স্পর্কে গোটা বিশ্বই খুব কম জানে। আর আম’রা বোধহয় আরও কম।

স্বভাবতই কোনো নির্দিষ্ট মডিউল মেনে এই রো’গের চিকিৎ’সা ক’রতে গেলে বারেবারে স’মস্যায় পড়তে হতে পারে আমাদের। ব্য’ক্তিগতভাবে আমা’র মনে হয়, পুরো বি’ষয়টিতে একটু নমনীয় থাকা ভালো। হটস্পট থেকে আসা কোনো লক্ষণহীন ব্য’ক্তির অবশ্যই আগে করো’না পরীক্ষা করা দরকার। একজন আগন্তুকের দে’হে কোনো রো’গের উ’পসর্গ দেখে সেই বি’ষয়ে নি’শ্চিত হতে গেলে পরীক্ষা ছাড়া দ্বিতীয় কোনো পন্থা নেই আমাদের কাছে।

তাই কপি বুক লক্ষণের বাইরে সিডিসির প’রামর্শ অনুযায়ী উ’পসর্গ সম্পন্ন কোনো ব্য’ক্তি চোখে পড়লেই তার করো’না পরীক্ষা করা উচিত। এর ফলে সংশ্লি’ষ্ট ব্য’ক্তির কোনো ক্ষ’তির সম্ভাবনা নেই, উল্টো যদি তার করো’না হয়ে থাকে, তাহলে যত দ্রুত ধ’রা পড়বে, ততই ভালো।’ দিল্লি এইমস হাসপাতালে ক’র্মরত আরেক চিকি’ৎসক সায়ন নাথও জা’নান, তিনি ‘কপি বুক’ করো’না লক্ষণের বাইরে মাংসপেশিতে ব্য’থা, মাথা ব্য’থা, শীত বোধ করা, প্রবল শীত বোধ থেকে দে’হে কাঁপুনি ধ’রার উ’পসর্গ সম্পন্ন রো’গী দেখেছেন এইমসে।

নাম প্র’কাশে অনিচ্ছুক ওই হাসপাতালের অপর এক চিকি’ৎসক বলেন, ‘আমা’র মনে হয়, যত দিন যাবে, ততই নতুন নতুন লক্ষণ যুক্ত হবে করো’না র লক্ষণ তালিকায়। যতদিন না এই ভা’ইরাসের সব রহ’স্যভেদ হবে, ততদিন এই সন্দে’হভাজন লক্ষণের তালিকা বাড়তেই থাকলে আমি অ’বাক হব না।

Check Also

বাঁশিতে ফুঁ পড়তেই ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছি এসে জড়ো হয় শরীরে

মাহাতাব মোড়ল যশোরের কেশবপুরের একজন বংশীবাদক। সবাই তাকে চেনেন মৌমাছি মাহাতাব নামে। তিনি বাঁশিতে ফুঁ ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *