Home / Health / ম্যাজিকের মতো বিদায় নিবে ভুঁ’ড়ি ! কিভাবে বানিয়ে খাবেন, জেনে নিন।

ম্যাজিকের মতো বিদায় নিবে ভুঁ’ড়ি ! কিভাবে বানিয়ে খাবেন, জেনে নিন।

মেদ ভুঁ’ড়ি কি করি!.. খাওয়া কমিয়ে কিংবা রোজ ব্যায়াম করেও ভুঁ’ড়িকে বাগে আনা বেশ কঠিন। পেট আর তলপেটে চেপে বসা চর্বির এই পাহাড়কে বাগে আনতে অনেকেই অস্থির হয়ে ওঠেন। খোঁজেন চিকিৎসার পথ।

তবে খুব সহজেই ভুঁড়িকে ত্যাগ করতে পারেন। বিশেষ একটি পানীয় প্রতিদিন মাত্র এক গ্লাস পান করলেই দেখবেন ভুঁড়ি ম্যাজিকের মতো বিদায় নিয়েছে।প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যে পরিমাণ রাসায়নিক উপাদান থাকে তা যে কারও শরীর খা’রাপের জন্য যথেষ্ট। এর সাথে থাকে বেহিসেবি জীবনযাত্রা।

দুইয়ে মিলে শরীরের মেটাবলিজমের হার অনেক কমে যায়। ফলে শরীরে দেখা দেয় অবাঞ্ছিত মে’দ।আর এই মে’দ থেকে মুক্তি পেতে দরকার একগ্লাস বিশেষ পানীয়। প্রতিরাতে শোয়ার আগে এই পানীয় পান করলে মেদ ভুঁড়ি কমবেই। এমনকি নিয়ন্ত্রণে থাকবে হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস। হৃদযন্ত্রও ভালো থাকবে। তবে জেনে নেয়া যাক কী সেই পানীয়!

যা লাগবে: বাতাবি লেবু অর্ধেক, শশা একটি, আদাবাটা এক চা চামচ, পার্সলে পাতা এক গোছা, ২ গ্লাস জল।

তৈরির নিয়ম: উপরে বর্ণিত সব উপকরণ একসাথে ব্লেন্ডারে দিন। ব্লেন্ড হয়ে গেলে রসটুকু গ্লাসে ঢা’লুন। প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে এই রস একগ্লাস পান করুন। আর কদিনের মধ্যেই ফল পান হাতে নাতে।

প্রশ্ন- পার্সলে পাতা কি? উত্তর- পার্সলে হলো “মৌরি” বা মিস্টি শজ বা গোয়ামুরি। আমাদের দেশে শীতকাল ছাড়া দুটোর (ধনেপাতা আর পার্সলে পাতা দেখতে একই রকম) কোনোটাই চাষ করা হয়না বলে বছরের অন্যান্য সময় এগুলো পাওয়া যায়না। তবে, শীতকালিন দেশগুলোতে এগুলো মোটামুটি সারা বছর-ই সহজলভ্য।

সেইসব দেশে পার্সলে পাতা শুকনো (ড্রায়েড) অবস্থায়-ও পাওয়া যায়। ধনেপাতার চেয়েপার্সলে পাতার ফ্লেভার অনেক বেশী স্ট্রং। তাই, অনেকে পার্সলে পাতা বেশী ব্যবহার করে।

চুল ঘন করা নিয়ে চিন্তাটা মেয়েরাই বেশি করে থাকেন। তাই আসুন আজ চুল ঘন করার জন্য দুটি প্রাকৃতিক উপায় সম্পর্কে জানি যেগুলিতে কোনো প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার চিন্তা নেই। সপ্তাহে মাত্র ২/৩ দিন খানিকটা সময় বের করে নিয়ে নিম্ন বর্ণিত দুটো হেয়ার মাস্কের ব্যবহারেই পেতে পারেন ঘন, কালো ও উজ্জ্বল চুল।

১. ডিম ও অলিভ অয়েল-চুলের ঘনত্ব ব্রদ্ধির জন্য ডিম ব্যবহার হয়ে আসছে অনেক প্রাচীন কাল থেকেই। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন যা চুল পরা রো’ধ করে। এছাড়া ডিমে আরও রয়েছে সালফার, জিংক, আয়রন, সেলেনিয়াম, ফসফরাস ও আয়োডিন যা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে চুলের ঘনত্ব বাড়ায়।

যেভাবে তৈরী করবেন-একটি বাটিতে একটি ডিমের সাদা অংশ নিন। এতে ১ চা চামচ অলিভ অয়েল (জলপাই তেল) ও ১ চা চামচ মধু নিন( চুলের দৈর্ঘ্য ও পরিমাণ অনুযায়ী অলিভ অয়েল ও মধুর পরিমাণ বাড়াতে পারেন)। তারপর উপকরণগুলো খুব ভালো করে মেশান।

যখন এটি মসৃণ পেস্টের আকার ধারন করবে তখন এত ব্যবহার উপযোগী হবে। মসৃণ পেস্টের মত হয়ে গেলে মাথার ত্বকে আলতো ঘষে মিশ্রণটি লাগিয়ে ফে’লুন। ২০ মিনিট পর প্রথমে ঠাণ্ডা পানি ও পরে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধু’য়ে ফে’লুন। সপ্তাহে অন্তত ১ বার এটি ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। ভালো ফল পাবেন।

০২. সরিষার তেল ও মেহেদী পাতা-সাধারণত চুলে সরিষার তেল একেবারেই ব্যবহার করা হয় না। কিন্তু সরিষার তেল চুলের গোঁড়া মজবুত করে তুলতে বিশেষ ভাবে কার্যকর একটি উপাদান, যা চুল পড়া রো’ধ করে দেবে একেবারে। এর পাশাপাশি মেহেদী পাতা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। ফলে চুলের ঘনত্ব বৃ’দ্ধি পায় বেশ কয়েকগুন।

যেভাবে তৈরী করবেন-২০০ গ্রাম সরিষার তেল একটি পাত্রে নিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। এবার এতে ১ কাপ পরিমাণ মেহেদী তাজা পাতা দিয়ে জ্বা’ল দিতে থাকুন। যখন দেখবেন মেহেদী পাতা পুড়ে কালো হয়ে গিয়েছে তখন তা চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে ঠাণ্ডা করে নিন।

একটি এয়ার টাইট বোতলে এই তেল সংরক্ষণ করুন। এই তেল সপ্তাহে ৩ দিন চুলে লাগান। সব চাইতে ভালো ফল পাবেন সারারাত চুলে তেল লাগিয়ে রেখে সকালে সাধারণভাবে শ্যাম্পু করে চুল ধু’য়ে ফেললে।

Check Also

আপনি কি জানেন কিডনি রোগে এই খাবার গুলো খুবই উপকারী, জানাচ্ছে চিকিৎসকরা

ডায়েবেটিস, রক্তচাপ, ঘন ঘন ইউরিন ইনফেকশন ও অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের কারণে কিডনি রোগ হয়। কিডনি ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *