Home / News / মাইক্রোওয়েভে গরম করা খাবার কতটা ক্ষতিকর জানেন? জেনেনিন একঝলকে

মাইক্রোওয়েভে গরম করা খাবার কতটা ক্ষতিকর জানেন? জেনেনিন একঝলকে

মাইক্রোওয়েভে খাবার গরম করাটা অত্যন্ত সুবিধেজনক হলেও এর কিছু সমস্যাও আছে। মাইক্রোওয়েভে খাবার গরম ঠিক নিয়ম মেনে না করলে তার প্রভাব পড়তে পারে স্বাস্থ্যের ওপরে।
মাইক্রোওয়েভ ফ্রিকুয়েন্সি রেঞ্জের মাধ্যমে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন ছড়িয়ে খাবার গরম করা বা রান্না করার কাজ করে এই মেশিন। তবে পেশাদার কুকদের মতে মাইক্রোওয়েভে রান্নায় তার আসল ফ্লেভার পাওয়া যায় না। তবে স্বাদ ছাড়াও মাইক্রোওয়েভের আরও দিকটি নিয়ে বিশেষজ্ঞরা চিন্তিত, তা হল এর স্বাস্থ্যের দিকটি। নিয়মিত ভাবে মাইক্রোওয়েভে গরম করা খাবার খেলে স্বাস্থ্যের কি ক্ষতি হয়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

মাইক্রোওয়েভে খাবার গরম করলে খাবারের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। মাইক্রোওয়েভে দীর্ঘ সময় ধরে গরম করে খাবারের ভিটামিন বি১২ নষ্ট হয়ে যায়। অনেকেই প্লাস্টিকের বাটিতে মাইক্রোওয়েভে খাবার গরম করে থাকেন। অনেক প্লাস্টিকেই লেখা থাকে মাইক্রোওয়েভ সেফ। কিন্তু মাইক্রোওয়েভ আভেনের ভেতরে কোনও মতেই প্লাস্টিক কন্টেনার ঢোকানো উচিত নয়।

প্লাস্টিকের মধ্যে থাকে প্যাথালেটস নামে এক ধরনের রাসায়নিক। মাইক্রোওয়েভের গরমে এটি খাবারের সঙ্গে মিশে যায়। এই রাসায়নিক শরীরে প্রবেশ করলে হরমোনের সমস্যা, ইনসুলিন রেসিসট্যান্স, বন্ধ্যত্ব, অ্যাজমার মতো নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই মাইক্রোওয়েভে খাবার গরম করলে কাঁচ বা সেরামিকের বাটিতে করুন।

খাবার গরম করার সময় মাইক্রোওয়েভে সব জায়গায় সমান ভাবে তাপ পৌঁছয় না। তাই তাপের কারণে যে সব ব্যাকটেরিয়া মরে যায়, সেগুলি খাবারের সব জায়গা থেকে সম্পূর্ণ ভাবে নির্মূল হয় না। এই সব ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করে নানা রকম সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তবে মাইক্রোওয়েভে গরম করা খাবারে রেডিয়েশন থাকতে পারে বলে অনেকে যে মনে করেন, সেটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। মাইক্রোওয়েভের রেডিয়েশন সুইচ অফ করার সঙ্গে সঙ্গেই বন্ধ হয়ে যায়।

Check Also

তাইওয়ান এ মাছের জাক এই খান থেকে তাজা মাছ অবিনব পদ্ধতিতে রান্না করে পরিবেশন করে যা দেখতে খুবই মনোমুগ্ধকর তুমুল ভাইরাল ভিডিও

সোস্যাল মিডিয়ায় এখন আশ্চর্যজনক ঘটনা দিলেই ভাইরাল হয়ে যায়। এখনকার যুগে প্রতিনিয়ত ভালো, খারাপ দুটোই ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *