Home / News / অ’ল্পতেই মে’য়েরা বেশি মো’টা হওয়ার ৬টি কারণ ও সমাধান জেনে নিন

অ’ল্পতেই মে’য়েরা বেশি মো’টা হওয়ার ৬টি কারণ ও সমাধান জেনে নিন

শহরের মে’য়েরা গ্রামের মে’য়েদের তুলনায় বেশি মো’টা হয়। মুটিয়ে যাওয়ার স’ঙ্গে শহরের জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস, পরিবেশদূষণ ও জিনগত কারণ দায়ী। বাড়তি ওজনের কারণে বাড়ছে ডায়াবেটিস, উচ্চ র’ক্তচা’প, হা’র্টের অসু’খ, স্ট্রোক ও ক্যানসারের মতো বড় বড় ব্যাধিও। অকালে মৃ’ত্যুবরণ করছেন অনেকে।

মে’য়েরা অল্পতেই মো’টা হয় কেন? in detail
শহরের মে’য়েরা সকালের ব্রেকফাস্ট নিয়মিত করে না। সকালের ব্রেকফাস্ট না খেলে মো’টা হওয়ার ঝুঁ’কি বাড়ে। ফাস্টফুড জাতীয় খাবার বেশি খায়। আর এটি মো’টা হওয়ার এটি সবচেয়ে বড় কারণ। তারা কায়িক পরিশ্রম কম করে। এতে অতিরিক্ত ক্যালরি জমে ওজন বাড়ে।

শহর এলাকার মে’য়েরা টিভি, ল্যাপটপ, ফোনে সময় বেশি দেয়। শহরের মে’য়েরা গাড়ির ব্যবহার বেশি করে, কম হাঁটে। এটি তাদের স্থূল করে তোলে। তারা মাছ কম, মাংস জাতীয় খাবার ও সফট ড্রিঙ্ক জাতীয় পানীয় বেশি খায়। এতে ওজন বেড়ে যায়।

শহরের মে’য়েরা রাতের খাবার দেরি করে খায়। সাইকোলজি টুডের গবে’ষণায় দেখা যায়, রাতের খাবার দেরি করে খেলে মো’টা হওয়ার ঝুঁ’কি বেড়ে যায়। এ ছাড়া শহরের মে’য়েরা রাত জাগে, ঘুমায় কম। এটিও তাদের মো’টা হওয়ার জন্য দায়ী।

চকলেট, চিপস, আইসক্রিম বেশি খায়। এই অভ্যাস তাদের মো’টা করে দেয়। এছাড়া হরমোনের সমস্যাও মো’টা হওয়ার একটি বড় কারণ। শহরের দূষিত পরিবেশ ও জিনগত কারণ অনেকাংশে মে’য়েদের মো’টা হওয়ার জন্য দায়ী এমনটাই উঠে এসেছে বিভিন্ন গবে’ষণায়।

দিন দিন মো’টা হচ্ছেন? উপোস করেও রো’গা হওয়া যাচ্ছে না? কী করবেন জেনে নিনদিন দিন মো’টা হচ্ছেন? যা খাচ্ছেন তাতেই ফুলছেন? উপোস করেও রো’গা হওয়া যাচ্ছে না?

ওয়ার্কআউটেও কোনও কাজ হচ্ছে না? বেশি খেলেও বি’পদ, কম খেলেও সমস্যা। প্রতিদিন সময় মেনে পরিমিত খাবার খেলেই নি’য়ন্ত্রণে রাখা যাবে মেদ।না, কোনও একজন ব্যক্তির কথা নয়।

আজকাল হামেশাই শোনা যায় এমন কথা। মেদ ঝরাতে তাই নানা কসরত। ব্রেকফাস্ট বাদ, লাঞ্চ-ডিনারে অল্প একটু খাবার, উপোস, কত কী ! তাছাড়া ওয়ার্কআউট তো আছেই। কিন্তু তাতেও ঝরছে না মেদ।

কারণটা কী? লাইফস্টাইলেই গলদ। প্রতিদিনের খুবই তুচ্ছ কিছু ভু’ল অভ্যাস ও অনিয়ম প্রতিনিয়ত মো’টা হওয়ার কারণ হয়ে উঠছে। সকালে ব্রেকফাস্ট বাদ দিলে মেদের পরিমাণ বাড়ে। খাবার না খেলে মেটাবলিজমের মাত্রা কমে যায়। মো’টা হওয়ার কারণ।

খাবার তালিকায় আঁশযুক্ত খাবার বাড়াতে হবে। আমিষ ও চর্বিজাতীয় খাবার কমাতে হবে। মেদ ঝরাতে ভাজাভুজি ও ফাস্টফুড বন্ধ করতেই হবে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।

রেড মিট, দোকানের কেনা মিষ্টি, ঘি, ডালডা কম খেতে হবে। মরশুমি ফল ও শাকসবজি বেশি করে খেতে হবে। একেবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে বারে বারে খাওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

রাতে তাড়াতাড়ি খেয়ে নিতে হবে। খাওয়ার ১ থেকে ২ ঘণ্টা পর শুতে হবে। খাওয়ার সময় পাকস্থলী ভর্তি হল কি না, তা জানতে মস্তিষ্কের সময় লাগে ২০ মিনিট।

গবেষকদের দাবি, যারা ধীরে ধীরে খায়, তারা দ্রু’তগতিতে খাওয়া ব্যক্তির থেকে প্রতিবার ৬৬ ক্যালরি খাবার কম খায়। ১ বছরে ২০ পাউন্ড ওজন কমিয়ে দিতে পারে।

দিনে শোওয়ার অভ্যাস ছেড়ে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমোনোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা ঘুম মাস্ট। নিয়মিত প্রচুর জল খেতেই হবে। লাঞ্চের আগে একগ্লাস জল এবং খাওয়ার শেষে অন্তত ১ বা ২ ঘণ্টা পর জল খেতে হবে।

প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠতে হবে। সকালে স্কুল, কলেজ, অফিসে যাওয়ার আগে স্নান মাস্ট।প্রতিদিন সমতল জায়গায় হাঁটতে হবে। নিয়মিত ১ থেকে ২ ঘণ্টা হাঁটার অভ্যাস করতে হবে।

বেশি উঁচু তলায় ওঠার দরকার না হলে, লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। বেশি বা কম খাওয়া নয়। নিয়মিত ও পরিমিত খেতে হবে। উপোস করে বা ব্রেকফাস্ট বাদ দিয়ে মেদ ঝরানো যাবে না।

ওয়ার্কআউটে কিছুটা কাজ হয় ঠিকই, কিন্তু পুরোটা নয়। মেদ ঝরিয়ে সুন্দর ফিগা’রের একটাই ফর্মুলা, মেডিক্যাল পরীক্ষা করে চিকিত্সক বা ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শে সঠিক ডায়েট।

Check Also

পছন্দের তালিকায় মুখরোচক খাবারের নামে সন্তানের নামকরণ করলেন মা-বাবা

নেট মাধ্যমে প্রায়শই এমন অনেক আশ্চর্য ভিডিও ভাইরাল হয়ে থাকে যা দেখে আমরা রীতিমত অবাক ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *